বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর ২০২৬ - ১০:৩১
ঋণ দেওয়ার পর অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ কী জায়েজ?

হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল-মুসলিমীন আলিয়ান-নেজাদ এক ফিকহি প্রশ্নের জবাবে আয়াতুল্লাহিল উজমা মাকারেম শিরাজির ফতোয়া তুলে ধরে বলেছেন, ঋণ দেওয়ার সময় অতিরিক্ত অর্থ ফেরত দেওয়ার কোনো শর্ত না থাকলে ঋণগ্রহীতা স্বেচ্ছায় কৃতজ্ঞতাস্বরূপ মূল অর্থের চেয়ে বেশি টাকা ফেরত দিতে পারেন। এটি রিবা হিসেবে গণ্য হবে না; বরং এমন কাজ মুস্তাহাব।

হাওজা নিউজ এজেন্সি: কারযে হাসানা (সুদমুক্ত ঋণ) ইসলামে মানুষের আর্থিক সংকট নিরসন ও পারস্পরিক সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল। তবে এ ক্ষেত্রে রিবা থেকে বেঁচে থাকার জন্য শরয়ি বিধান জানা জরুরি।

প্রশ্ন: আমি আমার জামাতাকে ৫০ মিলিয়ন তুমান ঋণ দিয়েছি। তিনি বলছেন, কৃতজ্ঞতাস্বরূপ মূল ঋণের অতিরিক্ত ৫ মিলিয়ন তুমান আমাকে ফেরত দেবেন। শরিয়তের দৃষ্টিতে এটি কি বৈধ, নাকি রিবা বা সুদ হিসেবে গণ্য হবে?

উত্তর: হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল-মুসলিমীন আলিয়ান-নেজাদ বলেন, ঋণ দেওয়ার সময় যদি অতিরিক্ত অর্থ ফেরত দেওয়ার শর্ত করা হয়, তাহলে তা রিবা বা সুদ এবং তা হারাম। পবিত্র কুরআনের একাধিক আয়াত ও নিষ্পাপ ইমামগণের (আ.) বর্ণনায় এ ধরনের লেনদেনের কঠোর নিন্দা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ঋণ দেওয়ার সময় এমন কোনো শর্ত না থাকলে এবং ঋণগ্রহীতা পরবর্তীতে নিজের ইচ্ছায় কৃতজ্ঞতাস্বরূপ অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করলে তা জায়েজ। বরং এ ধরনের অতিরিক্ত অর্থ প্রদান মুস্তাহাব এবং এর প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha